September 25, 2023, 3:30 am
মোল্লা জাহাঙ্গীর আলম,খুলনা প্রতিনিধি:
খুলনা জেলা-রুপসা উপজেলা এর ৩ নং নৈহাটি ইউনিয়নের জাবুসা চৌরাস্তা এলাকার মোঃ রেজাউল করিমের বড় মেয়ে মিসেস রিক্তা বেগমকে ২৫ য়নিয়ে জাবুসা দক্ষিণ পাড়ার মোঃ ফরিদ শেখের পুত্র মোঃ শফিকুল ইসলাম শেখ ২২ নামক যুবকের সাথে গভীর রাতে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে গত ২২জুলাই ২০২২ এর শুক্রবার রাত আনুমানিক -১১.৪৫ ঘটিকার সময়।
জানা গেছে জাবুসা দক্ষিণ পাড়ার মোঃ ফরিদ শেখের ৪৮পুত্র মোঃ শফিকুল ইসলাম ২২ পূর্বের ন্যায় সন্ধ্যায় অত্র ইউনিয়নের জাবুসা চৌরাস্তা এলাকার মোঃ রেজাউল করিমের বাড়ীতে আসে।
বাড়ীতে লোকসমাগম কম থাকায় ফাঁকা পেয়ে রিক্তা বেগমের শিশু কণ্যা সুমাইয়া আক্তার ৭ এর সামনে জরিয়ে ধরে চুম্বন করে।শিশু কণ্যা সুমাইয়া দেখতে পাওয়ায় রিক্তা বেগম পরকীয়ায় আপত্তি করে।
এমতাবস্থায় ধীরে ধীরে পাশের লোকজন চলে আসায় হাতে নাতে ধরা পড়ে দীর্ঘ দিনের এই পরকীয়ার সম্পর্ক।
মিসেস রিক্তা বেগম ২৫ঢ়এবং মোঃ শরিফুল ইসলাম ২২ দুজন চৌরাস্তা জাবুসা এলাকার স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান মেসার্স ছালাম জুট মিলের কর্মচারী ছিলেন।
একসাথে কাজ করার সুবাধে প্রথমে ভাই বোন তারপর সম্পর্ক হয় সেখান থেকে বন্ধুত্ব আর অবশেষে প্রেমের।আর এই দীর্ঘদিনের পরকীয়ায় প্রথম বলী তার পূর্বের স্বামী আর অবশেষে ৭ বছরের শিশুকন্যা সুমাইয়া।
এই প্রেমের কারনে তার পূর্বের স্বামীসহ শিশু কণ্যার দিকে না তাকিয়ে পরকীয়ায় মেতে ওঠেন রিক্তা বেগম২৫।
স্বামী বার বার তার বাড়ীতে শিশু কণ্যা ও তার স্ত্রী নিতে আসলেও পরকীয়ার জেরে আর যাওয়া হয়নি।
রীতিমত শফিকুল ইসলামের সাথে দেখাশোনা,গভীর রাত অবধি কথা বলা,ঘোরাঘুরি,শফিকুলের বাড়ীতে যাওয়া ছিল রিক্তা বেগমের আসল কাজ।
এমনকি পূর্বের স্বামীকে মামলায় ফাঁসিয়ে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে মোঃ শফিফুল ইসলামের স্ত্রী হতে চেয়েছিল এই রিক্তা বেগম।
কিছুক্ষণ পর মোঃ শরিফুল ইসলাম এর খালাতো ভাই মোঃ আলমগীর শেখের পুত্র মোঃ রমজান আলী ৩২ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন।
পরিস্থিতি অনুকূলে আনার জন্য তিনি কথা দেন আগামী আমি ৩০ মিনিটের মধ্যে তার পরিবারকে নিয়ে আসবো এটা বলে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
পাশ্ববর্তী সকল দোকানদারগন চলে আসলে সিদ্ধান্ত হয় কাজীর মাধ্যমে বিবাহ পড়ানোর কিন্তু পূর্বের বিবাহ নিস্পত্তি না হওয়ায় বিবাহের পরিস্থিতি বিগড়ে যায়।
এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের পরামর্শে দুজনকে প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়ার প্রচেষ্টা চলাকালে সুযোগ বুঝে মিসেস রিক্তা বেগমের বাড়ী থেকে ৯ বছরের সংসার ও শিশুকণ্যা সুমাইয়া ৭কে রেখে মোঃ শফিকুল ইসলামের হাত ধরে পালিয়ে যায়।